বিপর্যয় সামলে চট্টগ্রামকে ‘সহজ’ লক্ষ্য দিল ঢাকা

SHARE

বিপিএলে চট্টগ্রাম রয়্যালসের বিপক্ষে শুরু থেকেই ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়ে ঢাকা ক্যাপিটালস। টসে জিতে আগে বোলিংয়ের সিদ্ধান্ত নেন চট্টগ্রাম অধিনায়ক শেখ মেহেদী। নিয়মিত উইকেট হারিয়ে শেষ পর্যন্ত ১২২ রানে অলআউট হয় ঢাকা।

ব্যাট হাতে আবারও ব্যর্থ ঢাকা ক্যাপিটালসের দুই ওপেনার।
এর মধ্যে ওপেনার সাইফ হাসান তো তিন ম্যাচেও যেতে পারেননি দুই অংকের ঘরে।

ইনিংসের শুরুতেই দলীয় মাত্র ৩ রানে পেসার শরিফুল ইসলামের বলে এলবিডব্লিউ হয়ে ফেরেন তিনি। চলতি বিপিএলে তিন ইনিংস মিলিয়ে সাইফের সংগ্রহ মাত্র ১১ রান। জুবাইদ আকবরীও ফেরেন একই বোলারের বলে ডিপ পয়েন্টে মুকিদুল ইসলাম মুগ্ধকে ক্যাচ দিয়ে।
এরপর উসমান খান তানভির ইসলামের বলে ডাউন দ্য উইকেটে এসে স্টাম্পিং হন ১৫ বলে ২১ রান করে।

এরপর উইকেটে এসে থিতু হতে পারেননি শামীম হোসেন পাটোয়ারিও। আগের ম্যাচে ঝলমলে ইনিংস খেললেও এদিন শেখ মেহেদীর বলে এগিয়ে এসে খেলতে গিয়ে স্টাম্পিং হন ৭ বলে ৪ রান করে।

ব্যাটারদের নিয়মিত আসা-যাওয়ার মিছিলে ঢাকার বিপর্যয় বাড়ে দ্রুত।
অধিনায়ক মোহাম্মদ মিঠুন তানভির ইসলামের বলে লং অনে মির্জা তাহির বেগকে ক্যাচ দিয়ে ফেরেন ৮ রান করে। এতে ৪৬ রানেই পাঁচ উইকেট হারায় ঢাকা।

এরপর সাব্বির রহমান বড় শট খেলতে গিয়ে শেখ মেহেদীর বলে স্টাম্পিং হয়ে ফেরেন ৯ রান করে। স্কোর দাঁড়ায় ৫৫ রানে ৬ উইকেট। অন্যদিকে ইমাদ ওয়াসিম লেগ স্টাম্পের বাইরের বলে এগিয়ে এসে খেলতে গিয়ে বল মিস করলে উইকেটকিপার অ্যাডাম রসিংটন দ্রুত স্টাম্প ভেঙে দেন।
এতে ৬৬ রানে ৭ উইকেট হারিয়ে দ্রুত গুটিয়ে যাওয়ার শঙ্কায় পড়ে তারা।

ঢাকাকে এই বিপর্যয় থেকে কিছুটা টেনে তুলেন নাসির হোসেন ও সাইফ উদ্দিন। তাদের ৩৬ বলে ৪৮ রানের জুটি দলকে বড় বিপর্যয়ের হাত থেকে টেনে তুলে। নাসির ব্যাক্তিগত ১৭ রানে ফিরলে ক্রিজে এসে টিকতে পারেননি তাসকিন আহমেদ ও সালমান মির্জা। এতে ১৯.৪ ওভার খেলে ১২২ রানে গুটিয়ে যায় ঢাকা। সাইফ সর্বোচ্চ ২৫ বলে অপরাজিত ৩৩ রানের ইনিংস খেলেন।

চট্টগ্রামের হয়ে শরিফুল ইসলাম ও তানভির ইসলাম সর্বোচ্চ ৩টি করে উইকেট শিকার করেন।